free_shipping_English_728x90

হরিয়ানা পর্যটন

Store-banner

Travel to Haryana in Bengali

হরিয়ানা পর্যটন
* হরিয়ানা পর্যটন মানচিত্রে - হরিয়ানার বিভিন্ন প্রধান শহর, সৈকত, তীর্থস্থান, হোটেল ও অন্যান্য পরিদর্শনযোগ্য স্থানগুলিকে দেখানো হয়েছে।

হরিয়ানা পর্যটন




উত্তর ভারতের রাজ্য হরিয়ানা,একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। এটা পূর্বে উত্তর প্রদেশ,পশ্চিমে পাঞ্জাব, উত্তরে হিমাচল প্রদেশ এবং দক্ষিণে রাজস্থান দ্বারা বেষ্টিত।এর রাজধানী চণ্ডীগড় হল একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং প্রশাসনিক দিক দিয়ে এটি চার ভাগে বিভক্ত – আম্বালা, রোহতক, গুড়গাঁও এবং হিসার।

অবস্থান




হরিয়ানা তীর্থযাত্রা, রোমাঞ্চকর ক্রিয়াকলাপ এবং মজার জন্য একটি আদর্শ জায়গা। কুরুক্ষেত্র, জ্যোতিসর, থানেসর, পেহোবা এবং পঞ্চকুল হরিয়ানায় অবস্থিত বিখ্যাত তীর্থ স্থান। এটি রোমাঞ্চকর ক্রিয়াকলাপ উপভোগের একটি আদর্শ জায়গা, যেমন – প্যারা সেলিং, পর্বতারোহণ, র‍্যাফটিং এবং ক্যানোইং। এছাড়াও এখানে অনেক চিত্তবিনোদন পার্ক এবং থিম পার্ক রয়েছে।


ভারতীয় শিল্পকলা ও কারুশিল্পকে প্রচার করতে আন্তর্জাতিকভাবে বিখ্যাত সূর্যকুন্ড হস্তশিল্প মেলা প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে অনুষ্ঠিত হয়। ‘আম উৎসব’ এবং ‘কুরুক্ষেত্র উৎসব’ এখানকার কয়েকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বার্ষিক অনুষ্ঠান। হরিয়ানায় পাখির নামানুসারে ৪৩-টি পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। হরিয়ানার এই রকম কয়েকটি পর্যটন গন্তব্য হল বঢ়কল লেক, ডাবচিক, জঙ্গল বাব্লার, কর্ণ লেক, কালা তিতির এবং যদবিন্দ্র বাগান।


হরিয়ানার ইতিহাস প্রায় পাঁচ হাজার বছরের পুরানো যা ভারতীয় মহাকাব্যে ও পুরাণে রয়েছে।


হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের উল্লেখ মহাভারতে রয়েছে, যেই স্থানে পাণ্ডব ও কৌরবদের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কর্ম এবং ধর্মের পাঠ শেখান, যা ভগবত গীতার রূপ নেয়। এখানে সরস্বতী নদীর তীরে বেদ ব্যাস (সংস্কৃত ভাষায়) মহাভারত লেখেন।


উত্তরে ভারতে তার ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য, হরিয়ানা ভারতীয় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। উত্তর ভারতে তার ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে হরিয়ানা ভারতীয় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। এটি ইতিমধ্যে কৃষি-উৎপাদনে এবং একটি দ্রুত শিল্পোন্নত রাজ্য হিসাবে যথার্থ স্থান গ্রহণ করে নিয়েছে।

হরিয়ানা পৌঁছানোর উপায়




হরিয়ানা জাতীয় রাজধানী দিল্লিকে তিন দিক দিয়ে ঘিরে অবস্থান করে আছে। স্বাভাবিকভাবে হরিয়ানা দেশের বাকি অংশের সাথে একটি সুবিধাজনক যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা সংযুক্ত। রাজ্যের শিল্পায়নের বর্তমান তরঙ্গে হরিয়ানাকে যোগ করা হয়েছে। হরিয়ানায় বহু সংখ্যক শিল্প তৈরি হচ্ছে এবং বহু শিল্প আসতে চলেছে। প্রাথমিকভাবে এই কৃষিগত রাজ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা অসাধারণ ভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছে।

হরিয়ানার জনপরিসংখ্যান

অবস্থান ভারতীয় রাজ্য দিল্লি, রাজস্থান, উত্তরাঞ্চল, হিমাচল প্রদেশ,
উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাব দ্বারা বেষ্টিত।
অক্ষাংশ 27 ডিগ্রী 37 মিনিট থেকে 30 ডিগ্রী 35 মিনিট উত্তর
দ্রাঘিমাংশ 74 ডিগ্রী 28 মিনিট থেকে 77 ডিগ্রী 36 মিনিট পূর্ব
আয়তন 44,212 বর্গ কিলোমিটার
জলবায়ু গ্রীষ্মকাল – গুমোট
শীতকাল – ঠাণ্ডা
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা 47 ডিগ্রী সেলসিয়াস
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা 5 ডিগ্রী থেকে 9 ডিগ্রী সেলসিয়াস
বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত 455 মিলি মিটার
রাজধানী চন্ডীগড়
জনসংখ্যা 2,10,83,000
ভাষা হরিয়ানভী, হিন্দি ও ইংরাজি
ধর্ম হিন্দু, শিখ, মুসলমান, খ্রীষ্টান
পরিদর্শনের সেরা সময় অক্টোবর থেকে মার্চ
পরিধান গ্রীষ্মকাল – হাল্কা সুতি
শীতকাল – ভারি পশমী

বিমানপথ দ্বারা




এই রাজ্যের প্রধান বিমানবন্দর রাজধানী চন্ডীগড়ে অবস্থিত। যা উত্তর ভারতের শহরগুলির সঙ্গে সু-সংযুক্ত। এছাড়াও হরিয়ানার কিছু অংশ দিল্লীর ইন্দিরা গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটস্হ হওয়ায়, এই রাজ্যে সহজেই প্রবেশ করা যায়।

সড়কপথ দ্বারা




হরিয়ানা অন্যান্য রাজ্যের সাথে একটি চমৎকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা সংযুক্ত। এই রাজ্যের কিছু অংশ জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের মধ্যে এবং দিল্লী থেকে একটি সংক্ষিপ্ত ড্রাইভিং দুরত্বে অবস্থিত। জাতীয় মহাসড়ক এবং রাষ্ট্রীয় মহাসড়কের একটি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা রাজ্যের অন্যান্য অংশগুলিতে পরিষেবা প্রদান করে।

হরিয়ানার পরিদর্শনীয় স্থান



  • বঢ়কল হ্রদ।
  • স্টার মনুমেন্ট।
  • সরস।
  • আম্বালা ক্যান্টনমেন্টের প্যাটেল পার্ক।
  • সোহনা।


হরিয়ানার দর্শনীয় স্থান




প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য এবং সাংস্কৃতিক উন্মাদনায় পরিপূর্ণ চিত্রানুগ রাজ্য হরিয়ানা গ্রাম্য এবং শহুরের একটি অসাধারণ সংমিশ্রণ। এই রাজ্য একটি প্রাচীন ইতিহাস দ্বারা আবৃত এবং একটি লোভনীয় পর্যটন গন্তব্য। তাই হরিয়ানায় পর্যটন গন্তব্যস্থলগুলি পর্যটকদের জন্য একটি আদর্শ পশ্চাদপসরণ।


ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লী থেকে একটি ঢিল ছোড়া দূরত্বে অবস্থিত হরিয়ানা কৌশলগতভাবে ভারতের সুবর্ণ পর্যটন ত্রিভুজ আগ্রা-দিল্লি এবং জয়পুরের নিকটে অবস্থিত, যা লক্ষ লক্ষ পর্যটক দ্বারা পরিদর্শীত হয়। এই রাজ্য তার অসাধারণ সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যশালী পর্যটক আকর্ষণের জন্য সুপরিচিত।


সোহনা পাহাড়ের একটি স্বাস্থ্যকর স্থানের প্রতিচ্ছবি হিসেবে প্রশংসনীয় এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন আধার। এই স্থান আরাবল্লী ঢালের উপর এক উঁচু স্থানে অধিষ্ঠিত এবং অরণ্যময় দমদমা হ্রদের একটি অত্যাশ্চর্য দৃশ্য এখান থেকে দেখা যায় যা ঝকমকে জাফরান সূর্যকিরণের প্রভায় মরীচিকার মত ঝলমল করে। উষ্ণ প্রস্রবণ, চমৎকার কুটির এবং সুন্দর ময়ূর এই স্থানের ঐশ্বর্যকে আরও প্রভাবিত করে।


মোহময় বঢ়কল হ্রদের নান্দনিক সৌন্দর্যকে সামান্য শব্দে বোঝানো যায় না। এই হ্রদে বিভিন্ন ধরনের সাধারণত দেশীয় ও তার পাশাপাশি পরিযায়ী পাখি দেখা যায় এবং এর পর্যটন সম্ভাব্য বৃদ্ধি করতে এই অরণ্যময় জলাশয়ের পার্শ্বদেশে হোটেল, রিসর্ট, স্পা এবং রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে।


আরেকটি বিখ্যাত পর্যটন গন্তব্য ডাবচিক হোটেলের স্বাচ্ছন্দ্যময় সৌন্দর্য পর্যটকদের বিনোদন ও অবকাশের জন্য প্রচুর সুযোগ প্রদান করে।



বঢ়কল হ্রদ





বঢ়কল হ্রদ ভারতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক রাজ্য, হরিয়ানায় অবস্থিত। মহাভারতের কুরুক্ষেত্র (পানিপথের কাছাকাছি) যুদ্ধের পর থেকে হরিয়ানা ভারতীয় ইতিহাসে একটি ভৌগোলিক অবস্থান দখল করেছে। হরিয়ানা, জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যস্থল হওয়া ছাড়াও, বিভিন্ন চিত্রানুগ অবস্থানের একটি স্থান যা ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর জুড়ে বিস্তৃত। বঢ়কল হ্রদ ভারতীয় রাজধানীর ভ্রমণ-প্রেমী অধিবাসীদের জন্য একটি আদর্শ ছুটি কাটানোর গন্তব্য। এই হ্রদ নৌবিহার, সাঁতার এবং মাছ ধরার মত বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ প্রদান করে থাকে।


বঢ়কল হ্রদ, নিউ দিল্লী থেকে একটি ঢিল ছোড়া দূরত্বে (৩৫ কি.মি.) হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। এর চিত্রানুগ অবস্থান এবং অলস জলাশয়, ক্লান্ত-শ্রমসাধ্য নগরবাসীদের বিনোদন প্রদান করে।



স্টার মনুম্যান্ট





আকর্ষণীয় স্টার মনুম্যান্ট হরিয়ানা রাজ্যের একটি অমূল্য সম্পদ। ভিওয়ানি থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে দিনাউদে অবস্থিত, এই মনুম্যান্ট পরম সন্ত হুজুর তারা চাঁদ জি মহারাজের সমাধির উপর নির্মিত হয়, যেখানে তিনি অনন্ত শান্তিতে দেহ রাখেন। মহারাজজির নামানুসারে এই স্থাপত্যটি তারকার আকারে নির্মাণ করা হয়। রাধাস্বামী সৎসঙ্গ ভবন চত্বরের পবিত্র সমাধি মাটি থেকে ১০১ ফুট উপরে নির্মিত যা নিজেই ৬ ফুট উঁচুতে দাঁড়িয়ে আছে।


স্টার মনুম্যান্ট একটি ষড়ভূজাকার পিরামিড আকৃতির কাঠামো, যার তিনটি পক্ষই সাদা মার্বেল পাথরের, আর অপর তিনটি নীল ইতালিয়ান কাচের তৈরি যা সম্পূর্ণরূপে আবহাওয়া প্রতিরোধী। এই আশ্চর্য স্থাপত্যটি কোন খুঁটি বা স্তম্ভ ছাড়াই দণ্ডায়মান। এই তিনটি দেয়াল ও সমাধির ভিতরে তারা ঝিকমিক করে। মহারাজ জির একটি মূর্তি পশ্চিম দেওয়ালের নিকটে দাঁড়িয়ে আছে। সমাধির ছয় কোণে মহারাজজির জীবনের ছয়টি চিত্রাঙ্কন সুশোভিত করা রয়েছে। বাতাস চলাচলের জন্য এখানে প্রথাগত প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।



সরস





উত্তর ভারতের প্রবেশদ্বার একটি মনোহর রাষ্ট্র হরিয়ানা, যার উচ্ছ্বসিত নাগরিকরা রঙিন উৎসবে আনন্দ করতে অত্যন্ত ভালবাসেন। শহুরে ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে লক্ষ লক্ষ পর্যটক ঝাঁকে ঝাঁকে এই জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে আসে। সরস একটি বিশিষ্ট স্থান যেখানে হরিয়ানার ভক্তরা বারবার আসতে ভালবাসেন।


এই স্থান গুরগাঁও জেলায় অবস্থিত, যা দেশের রাজধানী শহর নতুন দিল্লি থেকে একটি ঢিল ছোড়া দূরত্বে অবস্থিত। ঘন সবুজ গাছপালা সহ কয়েক একর জুড়ে এই রাজ্য বিস্তৃত এবং এখান থেকে জঙ্গলে-আবৃত আরাবল্লীর ঢা্ল দেখা যায়। পাহাড় বেষ্টিত চিত্রানুগ হ্রদটি, অরণ্যকে ঘিরে সরল শান্ত ও মনোরম সবুজ মরুদ্যানে পারদের মরীচিকার মত চকচক করে এবং এই স্থানের নাটুকে সৌন্দর্যকে আরও প্রভাবিত করে।



আম্বালা ক্যান্টনমেন্টের প্যাটেল পার্ক





প্যাটেল পার্ক হরিয়ানার আম্বালা উপ-জেলায় অবস্থিত এবং আম্বালা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কেন্দ্র থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি ৩০ ডিগ্রী ২১ মিনিট ২৯ সেকেন্ড উত্তর অক্ষাংশে এবং ৭৬ ডিগ্রী ৫১ মিনিট ৮ সেকেন্ড পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। প্যাটেল পার্ক শহরের শশব্যস্ততা থেকে দূরে একটি চমৎকার স্থান। এখানকার শ্যামলিমার বিপুল বিস্তার একটি পুরানো শহরের থেকে পুরোপুরি অসাধারণ কিন্তু প্যাটেল পার্ক আম্বালা শহরের ‘পূর্ণ হৃদয় ভরে শ্বাস নেওয়ার’ একটি স্থান হিসাবে কাজ করে। বড় বড় গাছপালা এই সুন্দর পার্কে সারিবদ্ধ ভাবে রয়েছে, যা খুবই প্রয়োজনীয় উন্মুক্ত স্থান প্রদান করে। এই উদ্যান সমস্ত বয়সের মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়। শিশুদের জন্য এটি একটি আদর্শ ক্রীড়াঙ্গন হিসাবে কাজ করে। বহু বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি নির্মল সকালে ও সুন্দর বিকালে এই উদ্যানে এসে সময় কাটান। নিকটবর্তী ‘শিব জি’-র মন্দির, উদ্যান পরিদর্শনে আরও একটি আকর্ষণ যোগ করে।



সোহনা





হরিয়ানা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শহরতলিসুলভ চারণ ভূমি এবং শহুরে গগনচুম্বী অট্টালিকার একটি মনোহর মিশ্রন সহ একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যস্থল। উত্তরের প্রবেশদ্বার বিভিন্ন হোটেল, রিসর্ট এবং বাসস্থানে পরিপূর্ণ যার মধ্যে সোহনা শৈল শহর বিশেষ উল্লেখযোগ্য।


সোহনা পাহাড়ের একটি স্বাস্থ্যকর স্থানের প্রতিচ্ছবি হিসেবে প্রশংসনীয় এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন আধার। এই রিসর্ট আরাবল্লী ঢালের উপর অবস্থিত এবং এখান থেকে অরণ্যময় দমদমা হ্রদের একটি অত্যাশ্চর্য প্রেক্ষাপট দেখা যায় যা সূর্যের কিরণে পিতলের উপর এক মণির মত চকচক করে। এই মনোহর হ্রদের জলের এই ঝিলিমিলি দৃশ্য গোধূলির স্বর্ণ-অম্বর থেকে উজ্জ্বল সন্ধ্যায় পান্নার রঙে রূপান্তরিত হয়, যা সত্যিই দেখার মত।

হরিয়ানায় কেনাকাটা




আপনি যদি সূক্ষ্ম চোখের অধিকারী হন্ তাহলে হরিয়ানায় কেনাকাটা আপনাকে এক আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারে। হরিয়ানার কারিগররা বিভিন্ন ধরনের সুন্দর হস্তশিল্প নির্মাণ করেন। হরিয়ানার তাঁত দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে এবং যারা হরিয়ানায় কেনাকাটা করতে চান, তাদের কাছে এটি একটি অতি আবশ্যক জিনিস।


ভারতীয় শিল্পকলা ও কারুশিল্পকে প্রচার করতে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত বিখ্যাত সূর্যকুন্ড হস্তশিল্প মেলা হরিয়ানায় কেনাকাটার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আপনি সারা ভারতব্যাপী বহু কারিগর ও হরিয়ানি কারিগর খুঁজে পাবেন।


এছাড়াও সারা বছর ধরে আপনি সরকারী এম্পোরিয়াগুলিতে সস্তায় ভালো মানের পণ্য কেনাকাটা করতে পারেন। এছাড়াও বহু শপিং মল এবং বিভাগীয় দোকান সহ গুড়গাঁও একটি আধুনিক শহর যেখানে আপনি আপনার পছন্দের যেকোনও জিনিস খুঁজে পাবেন।

* সর্বশেষ সংযোজন : ০৬ - জুলাই, ২০১৫